এবার পাশ না করেই চাকরি? খুঁজে বের করতে হবে CBI-কে। হাইকোর্টের নির্দেশে অনিয়মের খোঁজে

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

এবার নবম এবং দশম শ্রেণীতেও SSC-র শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ। দুর্নীতির শিকড় কত দূর বিস্তৃত তা এবার CBI-কে অনুসন্ধান করে দেখার নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্ট। কলকাতা হাইকোর্ট। প্রধান বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, ”প্যানেলে নাম নেই, তা সত্ত্বেও কী ভাবে নিয়োগ? এটা চরম বিস্ময়ের। তদন্ত করুক জয়েন্ট ডিরেক্টর। কী করে এটা হল, তা খুঁজে বের করতে হবে CBI-কে।”

২০১৯ সালে সরকার নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে যাবতীয় বিষয় দেখার জন্য একটি কমিটি গড়েছিল রাজ্য। যার মাথায় রাখা হয়েছিল ওই উপদেষ্টাকে। সেই কমিটিতে উপদেষ্টা ছাড়াও শিক্ষামন্ত্রীর পিএ-সহ আরও কয়েক জনকে রাখা হয়েছিল। আদালতের বক্তব্য, কমিটিতে এসএসসির তরফে উপদেষ্টা ছাড়া আর কেউ নেই। ফলে সেখান থেকেই নিয়োগে গোলমালের সূত্রপাত কি না, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আদালত। যদিও উপদেষ্টার দাবি, তিনি শুধুমাত্র ওই কমিটির বৈঠক ডাকার দায়িত্বে ছিলেন। এক বারও সেই বৈঠক হতে পারেনি অধিকাংশ সদস্য হাজির না থাকায়। এর আগে গ্রুপ সি-তে CBI অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নির্দেশে জানিয়ে দেওয়া হয়, তদন্তে নজরদারি করবেন CBI অধিকর্তা। এদিকে, ভুয়ো চাকরির অভিযোগে বাতিল করা হয়েছিল ৩৫০ জনের চাকরি। অবিলম্বে ৩৫০ জনের বেতন বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়। নিয়োগে বেনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। তাই এই সিদ্ধান্ত বলে সূত্রের খবর।

অপরদিকে, SSC-র গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলাতেও CBI অনুসন্ধানে স্থগিতাদেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের ডিভিশন বেঞ্চে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত CBI তদন্তে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মামলার রিপোর্ট কমিটিকে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। এই মামলার শুনানি ছিল হাইকোর্টের দুই বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চে।

সম্পর্কিত পোস্ট