Ayushman Bharat Digital Health Card 2022: সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশেষ সুযোগ সুবিধে ‘আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল মিশন কার্ড’

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবেই আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পটির সূচনা করে কেন্দ্র সরকার।

ডিজিটাল হেলথ আই ডি কার্ড কী?

‘আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল মিশন কার্ড এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতের প্রতিটি নাগরিকের জন্য একটি অনন্য স্বাস্থ্য পরিচয়পত্র যুক্ত হবে। শুধু তাই নয়, এই হেলথ কার্ডের মাধ্যমে রোগীর সমস্ত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ডিজিটাল ভাবে সংরক্ষণ করার কথা। অনলাইন রেজিস্ট্রেশনের লিঙ্কটি এখন সক্রিয় করা হয়েছে এবং দ্য মিনিস্ট্রি অফ হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার, ইন্ডিয়া গভর্নমেন্ট-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট পোর্টালে দেখুন।

ডিজিটাল হেলথ আই ডি কার্ড সম্পর্কে:

২) এই কার্ডের সাহায্যে নাগরিকদের স্বাস্থ্য রেকর্ড বজায় রাখা হবে।

৩) প্রতিটি নাগরিকের কাছে আধার কার্ডের মতো একটি অনন্য আই ডি কার্ড থাকবে।

৪) ইউনিক ডিজিটাল হেলথ আই ডি আসলে একটি ১৪ সংখ্যার নম্বর।

৫) একটি আধার কার্ড এবং ফোন নম্বরের সাহায্যে ডিজিটাল হেলথ আই ডি কার্ড তৈরি করা যেতে পারে।

৬) একটি পি এইচ – ডি এইচ এম ডিজিটাল হেলথ আই ডি কার্ড তৈরির মূল উদ্দেশ্যই হল ভারতের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার উন্নতি করা।

৭) নতুন ধরনের এই ডিজিটাল স্বাস্থ্য আই ডির সাহায্যে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের কাছে পৌঁছানো সহজ হবে বলে জানানো হয়েছে।

ভারত সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য মিশন (এন ডি এইচ এম) -এর আওতায় চালু হয়েছে আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল মিশন (এ বি ডি এম)। কোনও ব্যক্তির আধার কার্ড এবং তার সঙ্গে সংযুক্ত বা রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বর থাকলেও এই কার্ড করা সম্ভব।

রেজিস্টার পদ্ধতি:

পি এম মোদি ডিজিটাল হেলথ আই ডি হল একটি ১৪ সংখ্যার সংখ্যা। এই অনন্য আই ডি তৈরি করতে, আবেদনকারীকে তাঁদের প্রাথমিক বিবরণ যেমন মোবাইল নম্বর এবং আধার কার্ড নম্বর প্রদান করতে হবে। এই প্রদত্ত মোবাইল নম্বরটি যে কোনও সময় দেখা যেতে পারে এমন সমস্ত ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য রেকর্ড লিঙ্ক করতে সাহায্য করবে।মন্ত্রকের অফিসজিয়াল পোর্টাল ছাড়াও, আবেদনকারীরা নিজেদের মোবাইলে এ বি এম ডি হেলথ রেকর্ডস অ্যাপ ডাউনলোড করে একটি স্বাস্থ্য আই ডিও পেতে পারেন।

হেলথ আই ডি কার্ডের সুবিধা কী কী?

এই হেলথ আই ডি-র সবচেয়ে ভালো দিক হল – প্রত্যেক রেজিস্টার্ড ভারতীয় নিজেদের স্বাস্থ্য রেকর্ড ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে বিনামূল্যে অ্যাক্সেস করতে পারবে। এবং যেহেতু সব কিছুই ডিজিটাল, তাই আবেদনকারীরা যেখানেই যাবেন, সেখানেই নিজেদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন। এই হেলথ আই ডি কার্ডের আর একটি অনন্য বিষয় হল, এটি শুধু মাত্র মেডিক্যাল রেকর্ডই দেখায় না, এর পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতে কত টাকা খরচ হল, তার হিসেব-নিকেশও দেখায়।

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত রেকর্ডগুলি স্বাস্থ্যসেবা তথ্য প্রদানকারীদের কাছে সংরক্ষণ করা হবে। এ বি ডি এম সরাসরি কোনও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ করবে না, বরং এই তথ্য এনক্রিপশন প্রক্রিয়া সহ এ বি ডি এম নেটওয়ার্কে শেয়ার করা হবে এবং তাও সুবিধাভোগীর স্পষ্ট সম্মতির পরেই।

এখনও পর্যন্ত এ বি ডি এম শুধু মাত্র মোবাইল নম্বর বা আধার কার্ডের মাধ্যমে স্বাস্থ্য আই ডি তৈরি করতে সহায়তা করে। কিন্তু মন্ত্রকের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটের তথ্যে বলা হয়েছে যে এ বি ডি এম শীঘ্রই এমন সুবিধা চালু করবে যা একটি প্যান কার্ড বা একটি ড্রাইভিং লাইসেন্স সহ স্বাস্থ্য আই ডি তৈরি করতে সক্ষম হবে।

পি এম ডিজিটাল হেলথ মিশন স্কিমের আওতায় ইতিমধ্যেই প্রায় ১ লক্ষ ইউনিক আই ডি তৈরি করা হয়েছে। এই আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল মিশনের মূল লক্ষ্য হল প্রতিটি ভারতীয়র জন্য ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (ই এম আর) তৈরি করা।

অনলাইনে আবেদন করবেন কী ভাবে?

১) প্রথমত আবেদনকারীকে জাতীয় ডিজিটাল স্বাস্থ্য মিশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

২) ইউনিক ডিজিটাল হেলথ কার্ড অপশনে ক্লিক করতে হবে স্বাস্থ্য আই ডি তৈরি করতে হবে পরের ধাপে।

৩) এ বার আপনাকে আপনার আধার নম্বর লিখতে হবে।

৪) আধার কার্ডের সঙ্গে রেজিস্টার করা মোবাইল নম্বরে ও টি পি এলে সেটা যাচাই করতে হবে।

৫) এর পরের ধাপে আপনাকে আপনার প্রোফাইলের জন্য ছবি, জন্ম তারিখ এবং ঠিকানা সহ নানা তথ্য প্রদান করতে হবে।

৬) এ বার একটি ফর্ম আসবে। সেই ফর্মে যাবতীয় তথ্য সঠিক ভাবে পূরণ করতে হবে।

৭) সমস্ত তথ্য ঠিক মতো ইনপুট করার পরেই একটি ডিজিটাল স্বাস্থ্য আই ডি কার্ড আপনার স্ক্রিনে ভেসে উঠবে।



সম্পর্কিত পোস্ট