রাজ্যে এবার বাংলা আবাস যোজনা প্রকল্পে বাড়ি তৈরি হবে বিনা মূল্যে।

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

বাংলার আবাস যোজনা (BAY) এর মূল উদ্দেশ্য হল, – দরিদ্র সীমার নীচে বসবাসকারি ব্যক্তি যারা গৃহহীন বা কাঁচা অর্থাৎ মাটির বাড়িতে বসবাস করেন তাদের একটি পাকা বাড়ি নির্মাণের জন্য আর্থিক সুবিধা প্রদান করা, যাতে করে একজন দরিদ্র ব্যক্তি পাকা বাড়িতে বসবাস করার সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্য লাভ করতে পারেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে আগামী ২০২২ সালের মধ্যে দারিদ্র সীমার নিচে বসবাসকারী প্রত্যেক পরিবারকে পাকা বাড়িতে বসবাস করার সুবিধা প্রদানের কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে।

এবার বাংলা আবাস যোজনা প্রকল্পে বাড়ি তৈরি হবে। এক শতক জমির উপর বাড়ি তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর হাত ধরেই গোটা রাজ্যের বিভিন্ন খাস জমির পাট্টা দেওয়ার কাজে অনেক আগেই শুরু হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জমিতে বসবাস করছেন, তাঁদের পাট্টা দেওয়া হবে। তবে পূর্ত,রেল, হাসপাতাল সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের জায়গায় বসবাসকারীরাএই সুবিধা পাবেন না। জমি চিহ্নিত করে সিদ্ধান্ত নেবেন সরকারি আধিকারিকরা। পূর্ব বর্ধমান জেলায় ২হাজার ৭৩২জনকে খাস জমিতে  পাট্টা দিয়ে বাড়ি তৈরি করে দেওয়া হবে। তারমধ্যে ৪১জনের জমি চিহ্নিত হয়েছে।


রাজ্যের বহু পরিবারের এখনোও পাকাপোক্ত বাড়ি নেই। সরকারি জমিতে মাটির ঘরে তাঁরা বসাবাস করেন। নিজেদের নামে জমি থাকার জন্য তাঁরা বাংলা আবাস যোজনা প্রকল্পের সুবিধা পান না। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাঁরা এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে আগ্রহী, তাঁদের প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করতে হবে। তারপর জমি দেখে আধিকারিকরা পাট্টা দেবেন। আবেদনকারী যেখানে বসবাস করছেন, সেখানে খাস জমি না থাকলে তাঁকে অন্যত্র দেওয়া হবে। 

কিভাবে মিলবে এই সুবিধা?-

যে সমস্ত পরিবারের বার্ষিক আয় এক লক্ষ টাকার নীচে, তারাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাবে। আবেদনকারীকে এরাজ্যের বাসিন্দা হতে হবে। তাঁদের ভোটার ও আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। আরএক আধিকারিক বলেন, কোন জমিতে পাট্টা দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবে জেলা প্রশাসনই। হঠাৎ করে কেউ জমি জবরদখল করলে এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।

সম্পর্কিত পোস্ট