Cyclone Ashani 2022: ফের বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ে রীতিমতো চিন্তিত এ রাজ্যও

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

ফের বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ে রীতিমতো চিন্তিত এ রাজ্যও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানান হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে এই নিম্নচাপ। এই নিম্নচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও আন্দামানের কাছাকাছি এসে আরও শক্তিশালী হতে চলেছে।

একদিকে মার্চের প্রথম সপ্তাহ থেকেই ঊর্ধ্বমুখী তাপমাত্রার পারদ। অন্যদিকে ফের নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে বঙ্গোপসাগরে। আর এই নিম্নচাপই আসতে আসতে গভীর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে, সেটা আগেই জানিয়েছিল IMD। তবে এখনই কোন কোন জেলায় এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়বে, সেটা জানানি হাওয়া ভবন।

ফের বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হয়েছে, যা নিয়ে রীতিমতো চিন্তিত এ রাজ্যও। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তরফে জানান হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে এই নিম্নচাপ। এই নিম্নচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগর ও আন্দামানের কাছাকাছি এসে আরও শক্তিশালী হতে চলেছে।

শনিবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ আন্দামান সাগরে এই সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হতে চলেছে। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এখান থেকে উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ। রবিবার গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে এটি। সোমবার ২২ মার্চ এটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে বলেই পূর্বাভাস।

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এই ঘূর্ণিঝড়ের নাম হবে অশনি (Cyclone Ashani)। নাম দিয়েছে শ্রীলঙ্কা।

প্রসঙ্গত, দুইদিন আগে বঙ্গোপসাগরে একটি নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়েছে। যা আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের রূপান্তরিত হবে। এটি আন্দামান উপকূলে অবস্থান করলেও উত্তর-পশ্চিম দিক বরাবর হয়ে বাংলাদেশ ঘুরে মায়ানমারের ঢোকার একটা সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছিল আবহাওয়া দফতর।

ঘূর্ণিঝড় ক্রমশ উত্তর ও উত্তর পশ্চিম দিকে প্রাথমিকভাবে এগোবে। পরে আরও উত্তর ও উত্তরপূর্ব দিকে বাঁক নেবে। বুধবার নাগাদ বাংলাদেশ ও মায়ানমার উপকূলে স্থলভাগে প্রবেশ করার সম্ভাবনা। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এর সরাসরি প্রভাব নেই আমাদের রাজ্যে ।

এদিকে, বাংলায় বসন্তের পরিবেশে বাড়বে গরম। আগামীদিনে আরও তাপমাত্রা বাড়তে পারে। সকাল ও সন্ধ্যায় শীতের আমেজ উধাও হবে। আপাতত বৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই। জলীয় বাষ্প বেশি থাকায় বেলা বাড়লে অস্বস্তি বাড়তে পারে।

গতবার এপ্রিল পর্যন্ত কোনও ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা ছিল না। এবার প্রাক মরশুমেই মাঝ সমুদ্রে চোখ পাকাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় অশনি। তবে এই ঘূর্ণিঝড়ের দরুন স্থলভাগে এখনও বিরাট কোনও ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কার খবর নেই।

১৮ মার্চ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর এবং ভারত মহাসাগরের উপকূল এলাকায় ৪০-৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় দমকা হাওয়া বইবে। এরপর যদিও ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রবল বাতাস বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এবং বঙ্গোপসাগরে প্রতি ঘণ্টায় দমকা হয়ে ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট