Russia Ukraine War 2022: পুতিনের নতুন হুঁশিয়ারি, তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

পুতিনের হুঙ্কার, ইউক্রেনের আকাশসীমা বন্ধ করতে যদি তৃতীয় কোনও পক্ষ এগিয়ে আসে, সে ক্ষেত্রে তাদেরও যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী হিসেবে ধরা হবে। আর ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নষ্টের জন্য তাঁরাই দায়ী থাকবে।

ইউক্রেনে নো ফ্লাই জোন ঘোষণা নিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। শনিবার তিনি বলেছেন, তৃতীয় কোনও পক্ষ কর্তৃক ইউক্রেনের আকাশে নো ফ্লাই জোন ঘোষণা করাকে সশস্ত্র সংঘাতে অংশগ্রহণ হিসেবে বিবেচনা করবে তার দেশ। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এপি।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইউক্রেনে হামলার অভিযোগ উঠেছে রাশিয়ার বিরুদ্ধে। দুই শহরে মানব করিডরের উপর বোমা বর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে রাশিয়া। পাল্টা রাশিয়ার দাবি, এবার ফের ইউক্রেনে আক্রমাণাত্মক পদক্ষেপে ফিরে যাচ্ছেন তারা। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের মুখপাত্র ইগর কোনাসেনকভ জানিয়েছেন, ইউক্রেনের দিক থেকে অনিচ্ছার জেরেই ফের আক্রমাণাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রকের মুখপাত্র জানিয়েছেন, একজন সিভিলিয়ানও বেরতে পারেননি। জাতীয়তাবাদি শক্তি মারিউপোল ও প্রতিবেশি ভলনোভাখাতে সাধারণ মানুষকে মানব ঢাল হিসাবে ব্যবহার করছে।

তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, গত ১০ দিন ধরে যুদ্ধ চলাকালীন রুশ সেনার বিরুদ্ধে ইউক্রেনে যে একাধিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠে এসেছে, তা নিয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তে সায় দিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। প্রয়োজনে যুদ্ধাপরাধ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হতে পারে বলেও জানিয়েছে রাষ্ট্রপুঞ্জের মানবাধিকার কমিশন। তাতে দুই পরিষদের ৪৭ জন সদস্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে তদন্তে সায় দিলেও, ১৩টি দেশ ভোটদান থেকে বিরত থেকেছে।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই ইউক্রেনে অব্যাহত রয়েছে রুশ হামলা (Russia Ukraine War)। পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইউক্রেনও। জানা গিয়েছে, নিকোলেভে রুশ বিমান ধ্বংস করেছে ইউক্রেন। গ্রেফতারও হয়েছেন রুশ পাইলট। অর্থাৎ মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভেস্তে গিয়েছে রাশিয়ার যুদ্ধবিরতি। নতুন করে বোমাবর্ষণ শুরু হয়েছে ইউক্রেনে। এরই মধ্যে নতুন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। তাঁর হুঙ্কার, ইউক্রেনের আকাশসীমা বন্ধ করতে যদি তৃতীয় কোনও পক্ষ এগিয়ে আসে, সে ক্ষেত্রে তাদেরও যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী হিসেবে ধরা হবে। আর ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ নষ্টের জন্য তাঁরাই দায়ী থাকবে।

সম্পর্কিত পোস্ট