রাজ্যে চালু হতে চলেছে নতুন প্রকল্প, প্রতি জেলায় হবে সৃষ্টিশ্রী

Share on whatsapp
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on pinterest

পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের পাশে দাঁড়াতে নয়া উদ্যোগ নিচ্ছে পঞ্চায়েত দপ্তর। তাঁদের তৈরি করা সামগ্রীর সম্ভার এক ছাতার তলায় এনে বিপণনের ব্যবস্থা করা হবে। আর তার জন্য প্রতি জেলায় এবার খোলা হবে ‘সৃষ্টিশ্রী’। ইতিমধ্যে জমির খোঁজ শুরু করেছে জেলা প্রশাসন। বর্তমানে একমাত্র ঢাকুরিয়ায় ‘সৃষ্টিশ্রী’ নামক মল রয়েছে। সেখানেই সব জেলার হস্তশিল্প থেকে অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হয়। এবার সেই ধাঁচেই সব জেলায় এমন বিক্রয়কেন্দ্র গড়া হবে। তবে সেটা ঢাকুরিয়ার মলের আদলে হবে না। সংশ্লিষ্ট জেলার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক নিজস্বতা মাথায় রেখে তা গড়া হবে। ওই জেলার স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি করা সামগ্রীর সঠিক বিপণনই দপ্তরের মূল উদ্দেশ্য।

আপনারা জানেন, এতদিন বিভিন্ন মেলা বা প্রদর্শনী করে এই সব সামগ্রী বিক্রির সুযোগ করে দিত জেলা প্রশাসন। কিন্তু মেলা সারা বছর হতো না। এবারে যে বিপণন কেন্দ্র তৈরি করা হবে, সেখানে সারা বছরই মিলবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের তৈরি করা জিনিসপত্র কেনাবেচার সুযোগ। দপ্তরের কর্তাদের মতে, এতে এই মহিলাদের তৈরি করা সামগ্রী বিভিন্ন মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া যাবে। পাশাপাশি, ভালো বিক্রিবাটা হলে অর্থনৈতিক দিক দিয়েও লাভবান হবেন তাঁরা। এই বিক্রয়কেন্দ্র তৈরি করার জন্য কিছু জেলা ইতিমধ্যে জায়গা চিহ্নিত করেছে। জনবহুল এলাকার কাছাকাছি জায়গা খোঁজার কাজ চলছে বলে খবর। তবে পরিকাঠামো রয়েছে, এমন জায়গাকেই বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে জেলাগুলি। যেমন, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় আমতলার কর্মতীর্থকে বেছে নেওয়া হয়েছে ‘সৃষ্টিশ্রী’র জন্য। আরও একটি জায়গার খোঁজ চলছে বলে জানা গিয়েছে।


এদিকে, দপ্তর সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্বও দেওয়া হবে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের। যেমন সার্কিট হাউস, সরকারি ট্যুরিস্ট লজ, ইয়ুথ হস্টেল ইত্যাদি জায়গায় ক্যান্টিন পরিচালনার দায়িত্ব গোষ্ঠীর মহিলাদের দেওয়া হবে। এক আধিকারিকের কথায়, নারীদের ক্ষমতায়নে পঞ্চায়েত দপ্তর এরকম একাধিক পদক্ষেপ করছে।

সম্পর্কিত পোস্ট